Tuesday, July 23, 2019


তাহাদের ইংরেজিতে অনার্স পড়ুয়া স্যার ই লাগবে।
.
.
.
.
ছাত্র পড়ে চতুর্থ শ্রেণীতে। স্যার তিনজন তিন বিষয়ে
অনার্স পড়ুয়া বাংলা,ইংরেজি(ই:শি:), ও গণিত।
বাংলার স্যার এর দায়িত্ব: বাংলা প্রথম, দ্বিতীয় ও সমাজ।
ইংরেজি স্যার....: ইংরেজি প্রথম, দ্বিতীয় ও কম্পিউটার।
গণিত স্যার......: গণিত ও বিজ্ঞান।
#এখন অভিযোগ পত্র........!
ছাত্রের মা প্রত্যেক দিন এসে বলতো,
বাংলা যিনি পড়ান তিনি নাকি মোটামুটি পড়াতে পারেন। (আমি বললাম , আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো তো)
গণিত স্যার তিনমাস হলো এক অধ্যায় করাচ্ছে এখনো শেষ হয়নি। সিটি পরীক্ষায় ফেল করেছে... (আমি: ও তাহলে মনে হয় সামনের মাসে হবে ইনশাল্লাহ।)
#দেখুন তেল কিভাবে দেওয়া লাগে......
বাবা তোমার তো তুলনাই হয় না। পরীক্ষার একমাস পূর্বেই সিলেবাস শেষ করে দাও। তোমার সাবজেক্ট এ বরাবরই মার্ক ভালো পায়।(আমি:কি জানি,আমি তো কিছুই করি না।যা করে আপনার ছেলে ই.....)
তাই বাবা আমি বলছিলাম কি তুমি একটু #গণিত টা দেখবে .....?
আমি: হ্যাঁ তা অবশ্যই দেখতে পারবো😂😂।আমি তো আর অন্ধ না। কিন্তু গণিত করাতে পারবো না!!
ছাত্রের মা: মানে কি বাবা বুঝলাম না কিছু....?
আমি: ওমা!এখানে না বুঝার মতো কিছু দেখছি না তো। সহজ ভাষায় বলি, আমিতো ইংরেজির শিক্ষক। পড়াশুনাও ইংরেজিতেই করি।
আর তাছাড়া আপনি আমাকে ইংরেজি পড়ানোর জন্যই নিয়োগ দিয়েছিলেন।
আপনিই বলুন গণিত কিভাবে করাবো...?
ছাত্রের মা: চুপচাপ উঠে গেলো.........।
আমিও উঠে আসলাম সেদিনের মতো।
পরের ইচ্ছা করেই আর গেলাম না।
সেদিন, হটাৎ করেই সন্ধ্যায় কল দিলো.....
ছাত্রের মা:বাবা আজ কে আসলানা যে ....?
আমি: একটু অসুস্থ তাই।
ছাত্রের মা: ওহ এখন কেমন আছো....?
আমি: আলহামদুিল্লাহ ভালোই আছি। কিছু বলবেন কি অ্যান্টি....?
ছাত্রের মা:হ্যাঁ।বলতে চাচ্ছিলাম  কি,যে তুমি গণিত ও ইংরেজি পড়াও। সম্মানী বারিয়ে দিবো...!!!
আমি: ওকে তাহলে পড়াতে পারি। কিন্তু, শর্ত হচ্ছে আমি আমার মতো করে পড়াবো।
ছাত্রের মা: ওকে বাবা ঠিক আছে ।
আমি:তারপরের দিন থেকে পড়ানো শুরু করলাম। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো সে গণিতের "গ" ও বুঝে না ....
তাহলে এই সাত মাস গণিতের স্যার কি করলো......?
যাইহোক আমার এতো কিছু ভেবে লাভ নেই।
পাশের বিল্ডিং এর  এক ছাত্রীকে পরতাম চতুর্থ শ্রেণীর, সেদিন ওকে পড়াতে যাওয়ার পর ওর থেকে শুনে অবাক হয়ে গেলাম,
ওর আম্মুর কাছে শুনেছে নাকি, আমি পড়াই ইংরেজি গণিত দুই বছর ধরে। আমার অনেক প্রশংসা করেছেন উনি।
তারপর বুঝলাম আসল ঘটনা,,,,,,,,,,
ইংরেজির শিক্ষক দিয়ে কেনো গণিত করাতে চান।
#বিশেষদ্রষ্টব্য:আমি (অনার্সে) ইংরেজিতে পড়ুয়া কোনো  ছাত্র না। তাহাদের ইংরেজিতে পড়ুয়া স্যার লাগবে আর আমার পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়ার জন্যে টিউশনি লাগবে।তাই ছোট্ট একটা মিথ্যা কথা বলেছিলাম।
সবশেষে গার্ডিয়ান দের উদ্দ্যেশে একটি কথা না বললেই নয়, বিষয় ভিত্তিক স্যার খুঁজে লাভ নেই কোনো। কে কোন বিষয়ে পড়ে সেইটা ম্যাটার করে না।যারা অনার্স এ পড়ে তারা ওয়ান থেকে #জেএসসি পর্যন্ত পড়ানোর যোগ্যতা রাখে।তাই আপনারা এই মন মানসিকতা পরিবর্তন করুন ।
শিক্ষকদের সম্মান করতে শিখুন দেখবেন । স্যারকে বেশি করে সময় দেওয়ার কথা বলতে হবে না।
স্যারেরাই ম্যাজিক দেখাবে.......।
আপনার সন্তান  ভালো ছাত্র হয়ে গড়ে উঠেছে।

Friday, July 19, 2019

মনে রাখবেন,
 যদি কেউ কোনো জটিল বিষয়ে কাঁদতে  না পারে,তবে সে পাথরের চেয়েও কঠিন। তার দ্বারায় আর কিছুনা হোক কোনো উন্নতি হবে না আপনার।
যে সামান্য কিছু বিষয়ে কেদে ফেলে, সে তোলার মতোই কোমল ও সাদা মনের মানুষ হয়। নিজে কিছু করতে পারুক আর না পারুক অন্যের কোনোদিন ক্ষতি করবে না।
Mohammad Yousuf Ali

Monday, July 8, 2019

আসলেই কি আমরা স্মার্ট?

দশ টা BMW গাড়ি আর হাজার বর্গ ফুট উঁচু
ফ্ল্যাট, সুইচ ব্যাংকে কোটি মিলিয়ন ডলার থাকলেই স্মার্ট হওয়া যায় না।

আমার গাড়ি আছে, বাড়ি আছে টাকা আর মিল ফ্যাক্টরির অভাব নেই।

যখন মোবাইল কিনতে যাই সবথেকে বেশি দামি ও ভালো ব্র্যান্ডের টাই কিনি।

যখন যা ইচ্ছা তাই করতে পারি।

দিনে যখন যা কিছু ইচ্ছা (গরু, ছাগল, উট দুম্বা হাস মুরগি) করে তাই খাইতে পারি।

মন চাইলেই এক দেশে থেকে অন্য দেশে ঘুরতে পারি।

দিন শেষে নিজেকে দাবি করে বসি আমরা স্মার্ট। হ্যাঁ হ্যাঁ আমিও তাই বলি আমরা স্মার্ট আমাদের মতো সভ্য মানুষ আর নেই.।এককথায়,

পৃথিবীতে যা কিছু আছে আমরা সব কিছু ঠিকঠাক মতো করতে পারি। তাই নিজেদের কে স্মার্ট দাবি করি।

কিন্তু পারি না একটা কাজ?

পারি না শুধু মানুষকে সম্মান করতে! পারি না যে যে কাজ করে তার কাজের মুল্য দিতে। রিকশা চালক, কামার কুমার, জেলে, মুচি মেথর, সুইপার, দর্জি ও নাপিত তাদের যোগ্যতা ও মর্যাদা দিতে।

 কানাকে কানা বলি, খোরাকে খোরা বলি, বয়রাকে বলি বয়রা । যার একটু কথা বলতে
আটকাইয়া যায় তাকে তোতলা বলে তিরস্কার করতে একটুও বাঁধে না আমাদের। কারন আমরা স্মার্ট।স্মার্ট রা এসব সামান্য কিছু বলতেই পারে।

না এক্ষেত্রে আমি বলবো , আমি বা আমরা স্মার্ট নই. Actually we're not perfect, we're just a rich man's. আমাকে কেউ স্মার্ট বলবে ও না.। টাকা দিয়ে একটা লক্ষ্য টাকার স্মার্ট ফোন কিনতে পারি।কিন্তু স্মার্ট হতে পারবোনা। সুন্দর একটা প্যান্টের সাথে matching করে শু পরে একটা শার্ট পরে ইন করে আইফোন হাতে নিয়ে BMW গাড়িতে চড়ে ঘুরাঘুরি করলেই স্মার্ট হওয়া যায় না। আসল smartness তো সেটাই যেটা মানুষ কে তার মর্যাদা দিতে শেখায়। সমাজের সকল পেশার মানুষকে কষ্ট দিতে গেলে বিবেক দর্শন করে।

স্মার্ট হওয়ার জন্য দামী গাড়ি আলিশান বাড়ি ব্যাংক ব্যালান্স মিলিয়ন বিলিয়ন ডলার লাগে না হাতে দামী স্মার্ট ফোন লাগে না। লাগে সুন্দর একটা মন। যেই মন ধনী গরিব ভেদাভেদ ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলে মিশে একাকার হয়ে যেতে বাধা দিবে না। smartness তো সেইটাই যেটা মানুষে মানুষকে একসুরে বাধবে।

স্মার্ট হওয়ার জন্য দরকার বিবেক বুদ্ধি সচেতনতা আত্ন সংযম,ব্যাচ এটুকু হলেই চলবে আর কিছুনা। তাহলেই নিজেকে কষ্ট করে স্মার্ট বানাতে হবে না। মানুষ হিসেবে মানুষই আমাদেরকে স্মার্ট বানাইয়া দিবে।


পরিশেষে ভুলত্রুটি নিজ গুণে ক্ষমা করবেন।

লেখক ইউসুফ আলী সময়ঃ ০৯ঃ৩৫ 
তারিখঃ১২-০৯-২০১৯

Sunday, May 26, 2019

আমরা কেনো একে অপরের উপর সালামের ব্যাপক প্রচলন করবো।

ইসলামী ভ্রাতৃত্ব বন্ধন অটুটরাখার একমাত্র নিদর্শন হচ্ছে সালাম।
তাই আমাদের ভিতর সালামের ব্যাপক প্রচলন করা উচিৎ।

  • রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের মধ্যে যারা রাস্তায় উপবিষ্ট থাকবে তাদেরকে রাস্তায় গমনকারী ব্যক্তি সালাম দেবে।

হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু  বর্ণনা করেন  তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা পূর্ণ ঈমানদার হবেনা। ততক্ষণ পর্যন্ত তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে না।
আর ততক্ষণ পর্যন্ত তোমরা পূর্ণ ঈমানদার হতে পারবেনা,যতক্ষণ না তোমরা একে অপরকে (পরস্পর কে) ভালোবাসবে।
আমি কি তোমাদের এমন এক জিনিসের সন্ধান দিবো না,যা তোমাদের প্রতিপালন করলে পারস্পরিক ভালোবাসা সৃষ্টি করবে?
আর টা হলো তোমরা তোমাদের মধ্যে ব্যাপক ভাবে সালামের প্রচলন করো।
(সহিহ মুসলিম ও বুখারী শরীফ)

বুখারী শরীফের অপর এক বর্ণনায় এসেছে যে, হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
রাস্তায় গমন কালে গমনকারী উপবিষ্ট ব্যাক্তিকে সালাম করবে, ছ ছোটরা বড়োদের কে সালাম দিবে আর বরোড়া ছোটদের সালাম দিবে।
(সহীহ মুসলিম ও বুখারী শরীফ)

উক্ত হাদীসের ব্যাখ্যা: নিশ্চয় ইসলাম পরস্পর পরস্পরের মধ্যে
ভালোবাসা সৃষ্টি মিল বন্ধন কারি ও স্থিতশীলতার  ধর্ম।
আর এর একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে সালাম প্রদান করা ।
রাস্তায় বসা ব্যাক্তিকে গমনকারী ব্যক্তি সালাম দিবেন।
ছোটরা বড়োদের কে সালাম দিবেন।
ছোটরা বড়োদের সম্মান ও শ্রদ্ধা করবে আর বড় রা ছোটদের স্নেহ ও ভালোবাসবে।
কারন, ইসলাম বলে তোমরা তোমাদের মধ্যে যারা বড় তাদেরকে সম্মান করো ও তাদের প্রতি স্নেহশীল হও। তাই যখন ছোটরা বড়োদের কে সালাম দিবে তখন তারা তাদের মধ্যে শ্রদ্ধাবোধ তৈরী হবে আর তার মাধ্যমে আদর্শ মানুষ হিসেবে সমাজে গড়ে উঠবে।
আর বড় রা ছোটদের সালাম দিতে পারেন কারন তার মাধ্যমেই কেবল ছোটরা শিখতে পারে কিভাবে বড়োদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া যায়।
আর বড়োদের সর্বদা উচিৎ ছোটদের প্রতি স্নেহের হাত বাড়িয়ে দেওয়া তাতে করে একে অপরের প্রতি এক অটুট মিল বন্ধন সৃষ্টি হবে।

🖕🖕একজন মুসলমান ভাই এর উপর অপর মুসলমান ভাইয়ের হক ছয়টি
 (৬) টি‌।

🖕হাদীস:
عن ابي هريرة رضي الله تعالي عنه قال رسول الله صلي الله عليه وسلم للمومن علي المومن ست خصال يعوده اذا مرض و يشهده اذا مات و يجيبه اذا دعاه و يسلم عليه اذا لقيه ويشمته اذا عطس و ينصح له اذا غاب او شهد(متفق عليه)
অনুবাদ:
 হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত।
তিনি বলেন,
হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন,  একজন মুমিনের প্রতি অন্য মুমিনের ছয়টি(হক) কর্তব্য রয়েছে।
যথা-
১.যখন সেই রোগাক্রান্ত হবে,তখন তার সেবা করবে।

(২) যখন সে মৃত্যুবরণ করবে, তখন তার জানাজায় উপস্থিত হবে।
(৩)যখন সে আহ্বান করবে, তখন তার আহবানে সাড়া দিবে।
(৪) যখন তার সাথে সাক্ষাৎ হবে, তখন তাকে সালাম দিবে।
(৫) যখন সে হাঁচি দিবে, তখন তার হাঁচির জবাব দিবে।

(৬) উপস্থিত অনুপস্থিত সর্বাবস্থায় তার মঙ্গল কামনা করবে।

শিক্ষা:

🖕اذا دعاه
এর দ্বারা বুঝানো হয়েছে যে,
যখন কোনো মুসলমান ভাই শরীয়তের বিধান লঙ্ঘন না হয়।
 এমন কাজে আহ্বান করেন তার ডাকে সাড়া দেওয়া।

🖕و يسلم عليه اذا لقيه
এর দ্বারা বুঝানো হয়েছে যে,
যখন কোনো মুসলমান ভাইয়ের সাথে দেখা হবে, তাকে সালাম দিবে।
বড় ছোট কে দিবে, ছোট বড় কে দিবে।
এর মাধ্যমে উভয়ের ভিতর তথা ছোটরা বড়দের সালাম প্রদানের মাধ্যমে শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে।
আর বড়রা ছোটদের সালাম প্রদানের বিনিময়ে ছোটদের প্রতি স্নেহাশীল ও আন্তরিক হবে।

,
🖕و ينصح  اذا غاب او شهد-
এর মর্মার্থ হচ্ছে:-রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীস দ্বারা উদ্দ্যেশ্য মুসলমান গণকে পরস্পর ভ্রাতৃত্ব বন্ধনে আবদ্ধ করা এবং মুসলিম ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা একজন মুসলমানের উপর অপর মুসলমানের প্রতি দায়িত্ব হচ্ছে তার কল্যাণ সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করা। চাই সে উপস্থিত থাক আর অনুপস্থিত থাক ।
এখানে আরও উল্লেখ্য যে উপস্থিতদের কল্যাণের অর্থ হচ্ছে তাকে শরয়ী বিধান পালনে উৎসাহিত করা।
চাই তা  (الامر با المعروف) তথা সৎ কাজের আদেশ কিংবা (و النهي عن المنكر )বা অকল্যাণ থেকে বিরত রাখা হোক।  অনুপস্থিতিতেই কল্যাণ কামনার অর্থ হচ্ছে তার বা তার পরিবারের ক্ষতি সাধন না করা। গীবত বা দোষ ত্রুটি সমাজের কাছে তুলে না ধরা ইত্যাদি।

🖕🖕আমরা হাদীসের আলোকে নিজেদের জীবন কে যেন পরিবর্তন করে ইসলামের ছায়াতলে আসতে পারি।
আল্লাহ আমাদের সকলকে তৌফিক দান করুন।
আমীন।

মিশকাতুল মাসাবিহ- সালাম অধ্যায়।

Wednesday, May 22, 2019


আসসালামু আলাইকুম।
UNSEEN BEAUTY OF BANGLADESH group
এর পক্ষ থেকে সবাই
চিত্র: Nazmul Huda Prince
কে পবিত্র   ঈদুল ফিতরের অগ্রিম শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রইলো।

সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা মোদের এই সোনার বাংলা।
বাংলাদেশের অদৃশ্য সকল সৌন্দর্যকে সামনে এনে পুরা বিশ্বের ভিতর ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
আপনাদের সকলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু সাবলীল গ্রুপ তৈরির অবাধ প্রত্যয় কে সামনে রেখে আমাদের পথ চলা।
লাইক কমেন্ট পোস্ট এবং শেয়ারের মাধ্যমে গ্রুপ টি ছড়িয়ে দিন আপনাদের বন্ধুদের মাঝে। তারাও তাদের মন মুগ্ধকর এলাকার অদৃশ্যের সকল সৌন্দর্য্য সমূহকে গোটা বিশ্বের সামনে তুলে আনুক। বাংলাদেশের সৌন্দর্য উপভোগ করুক অন্য সকল দেশের মানুষেরা।
এই প্রত্যয় ব্যক্ত করে শেষ করলাম।
আল্লাহ হাফেজhttps://www.facebook.com/groups/388536104928744/

Tuesday, May 21, 2019

ছাত্রকে জিজ্ঞেস করলাম বাবা তোমার একটা খারাপ গুণের সম্পর্কে বলতো?
ছাত্র: স্যার,আমার একটা খারাপ গুণে  হচ্ছে---আমি খুব দুষ্টু, পড়াশুনা ভালো লাগে না,সবাইকে মারতে মন চায়।
আমি ভ্যাবাচ্যাকা খাইলাম 🤔🤔
আমি:আচ্ছা যাইহোক। এবার একটা ভালো গুণের সম্পর্কে বলো?
ছাত্র: স্যার,কি যে বলেন না।আমি যা করি সবই তো ভালো। তারপর ও বলি স্যার আমার শুধু খাইতে ইচ্ছা করে,গান গাইতে ইচ্ছা করে,তবলা বাজাইতে ইচ্ছা করে, আইয়ুব বাচ্চুর মতো গিটারিস্ট হতে ইচ্ছা করে , খেলাধুলা করতে ইচ্ছা করে।
আমি শুনে হাসি আটকাইতে পারলামনা।
পিছন ফিরে দেখি ওর আম্মু আব্বু কথা শুইনা মুখ চাপিয়ে ধরে হাসতেছে।
আমি কিছু বলার আগেই ওনারা চলে গেলেন।